education · Amar Bangla BD

অপ্রতিমের মা-বাবাকে হুমকি, থানায় অভিযোগ

Amar Bangla BD0 views
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যার পর অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে অপ্রতিমের বাবা এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও অপ্রতিম হত্যা মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ। কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার জানান, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে একটি গ্রামীণফোন নম্বর থেকে তার মোবাইলে কল আসে। পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজের পরিচয় দেন। এরপর অন্যপ্রান্ত থেকে গালাগাল, হুমকি ও অশোভন আচরণ করছে। কল কেটে দেওয়ার পরও একাধিকবার ফোন আসায় তিনি নম্বরটি ব্লক করে দেন। পরে এয়ারটেল নম্বর থেকেও তাকে বারবার কল করা হয়েছে। অপ্রতিমের বাবা জানিয়েছেন, বিভিন্ন ফেসবুক আইডি খুলে তার ছেলে ও স্ত্রীকে জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে অশোভন আচরণ করা হচ্ছে। এসব ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে অপ্রতিমের মা তার মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখেছেন। ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, আমার ছেলে মারা গেছে। তাকে আইফোনের জন্যই হত্যা করা হয়েছে, নাকি অন্যকোনো কারণ আছে, সেটা আমরা জানি না। আমাদেরও শঙ্কা কাজ করে। মাঝেমধ্যে বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন আসে, কিন্তু পরিচয় দেয় না। তিনি বলেন, আমরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। আমার ছেলে কে যারা হত্যা করেছে তারা এখন তাদের লিডাররাও যে আমার বাসায় এসে আমার সঙ্গে কোলাকুলি করছে না, এর নিশ্চয়তা কী? পুলিশ তদন্তের স্বার্থে কিছু বলছে না। কিন্তু এর একটা বিহিত না হলে আমরা কীভাবে নিরাপদ থাকব?’ তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ জানান, সাইবার বুলিং এবং বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে হুমকি ও অশোভন আচরণের অভিযোগে অপ্রতিমের বাবা জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকালে আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। এ ঘটনায় থানায় নিখোঁজের জিডি করেন অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার। পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা নামক এলাকার একটি জঙ্গল থেকে পুলিশ অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে।
মূল সংবাদ

এই পোর্টাল সংবাদটির শিরোনাম/সারাংশ প্রদর্শন করছে। পূর্ণ প্রতিবেদন পড়তে মূল প্রকাশকের ওয়েবসাইটে যান।

মূল প্রতিবেদন পড়ুন →

আরও পড়ুন